আন্তর্জাতিক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আন্তর্জাতিক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

আরও ৫৫ প্রাণীর সন্ধান

প্রাণীজগতে আরও ২০ টি উভচর ও ৩৫ টি সরীসৃপ প্রাণীর সন্ধান মিলেছে। ভারত ও ভুটানের মানস অরণ্যে এদের খোঁজ পাওয়া গেছে বলে দাবি করছে ভুটানের মানস কর্তৃপক্ষ।
এগুলোর মধ্যে রয়েছে সবুজ ব্যাঙ, বাব্স নেস্ট ফ্রগ, টুইন স্পটেড গাছ-ব্যাঙ, নীল পাখাওয়ালা গিরগিটি, পোপ্স পিট ভাইপার ইত্যাদি।
রোববার ভারতের একটি বার্তাসংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে।
কতৃপক্ষ বলছে, এই প্রথমবারের মতো ভারত সীমানায় মানস অরন্যে ১৯টি এবং ভুটান অংশে ১৮টি নতুন প্রজাতির অস্তিত্বের খোঁজ পেয়েছেন তারা।
মানস জাতীয় অরণ্যের উর্ধতন কর্মকর্তা সোনালি ঘোষ জানিয়েছেন, ওয়াইল্ডলাইফ ইন্সটিটিউট অব ইন্ডিয়া ও আরণ্যক গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং আর্য বিদ্যাপীঠ কলেজের গবেষক ও বিভিন্ন পশুপ্রেমী সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকদের প্রচেষ্টায় তারা এই অনুসন্ধান চালিয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে যে উভচর শ্রেনীর সন্ধান তারা পেয়েছেন সেগুলো বিপন্ন এবং বিরল তালিকাভুক্ত।
গবেষক দলের অভিজিৎ দাসের বলেন, দুই দেশে ছড়িয়ে থাকা এই মানসের জঙ্গলে প্রাণী ও উদ্ভিদের প্রকৃতি বুঝতে নিয়মিত সমীক্ষা প্রয়োজন। তাই দরকার মানস জাতীয় উদ্যানে বার্ষিক প্রাণী শুমারি।

এক দিনের স্বপ্নপূরণে তিন খুদে ডাক্তার

শনিবার বেলা বারোটা। ভারতের এসএসকেএম হাসপাতালের ব্যস্ত অঙ্কোলজি বহির্বিভাগ৷ বেডে শুয়ে থাকা রোগীর পেট টিপে পরীক্ষা করছেন ডাক্তার। খানিক পর স্টেথোস্কোপ লাগিয়ে সমস্যাটা ভালো করে বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করতেই বিপত্তি!
ডাক্তারবাবুর হাতই যে পৌঁছচ্ছে না রোগীর শরীরের প্রান্তে। সমস্যার সমাধানে এগিয়ে আসলো শক্তপোক্ত দুটো হাত। ডাক্তারকে কোলে তুলে এগিয়ে দিল রোগীর দিকে।
কারণ, ডাক্তারের বয়স যে মোটে সাত। গপ্পটা এ রকম- ভারতের বসিরহাটের সরিফা খাতুন, হাসনাবাদের হাবিব গাজি আর নদিয়ার অন্তরা দাস। স্বপ্ন দেখেছিল বড় হয়ে ডাক্তার হওয়ার। কিন্ত, থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত তিন শিশুর সেই স্বপ্ন মাঝ পথেই শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রবল।
এমনই গুরুতর অসুস্থ শিশুদের স্বপ্নপূরণে এই মূহুর্তে এগিয়ে আসে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। শনিবার সেই সংস্থার সদস্য সরিফা, অন্তরাদের ‘এক দিনের ডাক্তার’ করলেন এসএসকেএম হাসপাতালের অঙ্কোলজি বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর কৌশিক চট্টোপাধ্যায়।
বিশেষ ভাবে তৈরি বহির্বিভাগ, রোগী সেজে প্রস্ত্তত জুনিয়র ডাক্তার, ছোট মাপের অ্যাপ্রন, স্টেথোস্কোপ, প্রেসক্রিপশন লেখার আলাদা প্যাড পর্যন্ত। দু’ঘণ্টার ডাক্তারি সেশনের পর ‘এক দিনের ডাক্তার’দের চওড়া হাসিমুখই বুঝিয়ে দিল তাদের তৃপ্তি৷ আর কৌশিকবাবু?
তিনি বললেন, ফুটফুটে ওই বাচ্চাগুলোর স্বপ্নপূরণ করতে পেরে আমি খুবই খুশি। সূত্র- এই সময়।